অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই ও ডাউনলোড করার নিয়ম ২০২৬

Asif Mahmud

আমি আসিফ মাহমুদ, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা থেকে হিসাববিজ্ঞানে বিবিএ (অনার্স) পড়াশোনা করেছি। আমি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন নাগরিক সেবা বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও সহজবোধ্য ব্লগ লিখি। আমার লক্ষ্য জটিল আর্থিক ও সরকারি সেবা প্রক্রিয়া সহজভাবে তুলে ধরে পাঠকদের সময় ও ঝামেলা কমানো।

Asif Mahmud

আমি আসিফ মাহমুদ, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা থেকে হিসাববিজ্ঞানে বিবিএ (অনার্স) পড়াশোনা করেছি। আমি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন নাগরিক সেবা বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও সহজবোধ্য ব্লগ লিখি। আমার লক্ষ্য জটিল আর্থিক ও সরকারি সেবা প্রক্রিয়া সহজভাবে তুলে ধরে পাঠকদের সময় ও ঝামেলা কমানো।

জন্ম নিবন্ধন অনলাইন যাচাই বা জন্ম সনদ চেক করা কিংবা ডাউনলোড(jonmo nibondhon online download) করা এখন অত্যন্ত সহজ।

যারা নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছেন কিংবা যাদের কাছে এখন জন্ম সনদের কপিটি নেই, তারা জন্ম সনদের তথ্য ব্যবহার করে খুব সহজেই অনলাইন থেকে জন্ম সনদ চেক, ভেরিফিকেশন কিংবা ডাউনলোড করতে পারবেন।

আমার যে কোনো প্রয়োজনে আমি মাঝেমধ্যে এটি ডাউনলোড করে নেই। অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন কাজ করার ক্ষেত্রে এই নিয়মটি আমি নিচে সুন্দরভাবে, গুছিয়ে উপস্থাপন করেছি।

Table of Contents

জন্ম নিবন্ধন চেক করতে কি কি লাগে?

বাংলাদেশের জন্ম সনদ দেশে কিংবা বিদেশ থেকে চেক করতে হলে মাত্র দুটি তথ্য প্রয়োজন হবে। একটি হচ্ছে ওই ব্যক্তির জন্ম তারিখ এবং জন্ম সনদের ১৭-ডিজিটের নাম্বার

সুতরাং, Birth Certificate Check, ভেরিফিকেশন কিংবা ডাউনলোড করার পূর্বে অবশ্যই এই দুটি তথ্য সংগ্রহ করে, নিচে দেওয়া পদ্ধতিটি অনুসরণ করুন।

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার নিয়ম

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে হলে নিচে উপস্থাপন করা প্রতিটি ধাপ ভালোভাবে অনুসরণ করুন।

  • ভিজিট করুন eVerify BDRIS GOV BD ওয়েবসাইটে।
  • এখানে দেখতে পাবেন, তথ্য দেওয়ার জন্য তিনটি বক্স রয়েছে।

Birth Certificate Check Online: BD Birth Certificate Online Check: জন্ম নিবন্ধন যাচাই: জন্ম নিবন্ধন অনলাইন চেক: Jonmo Nibondhon Check Online

  • প্রথম বক্সে আপনার জন্ম সনদের ১৭-ডিজিটের নাম্বার টি প্রদান করুন।
  • এরপর দ্বিতীয় বক্সে আপনার জন্ম তারিখ প্রদান করুন। জন্ম তারিখ প্রদানের ক্ষেত্রে প্রথমে বছর, এরপর মাস, এরপর দিন সিলেক্ট করতে হবে।
  • জন্ম তারিখ দেওয়া হয়ে গেলে, সবার নিচে দেখবেন একটি গাণিতিক প্রশ্ন করা থাকবে। এটি ক্যালকুলেশন করে উত্তর বক্সে প্রদান করুন।
  • এরপর সার্চ বাটনে ক্লিক করুন।
  • তাহলেই পেজটি রিলোড হবে এবং আপনার দেওয়া সবগুলো তথ্য ঠিক থাকলে আপনার জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট এখানে দেখা যাবে।

জন্ম সনদ চেক করার পর ডাউনলোড করার নিয়ম

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন চেক করার পর যদি আপনি এটি ডাউনলোড করতে চান, তাহলে ফোনের স্ক্রিনের ডানপাশের উপরে থ্রি ডট বাটনে ক্লিক করুন।

এরপর এখানে যে অপশনগুলো দেখতে পাবেন, সেখান থেকে Save as PDF এই অপশনটিতে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার জন্ম সনদের সার্টিফিকেটটি আপনার ডিভাইসে পিডিএফ ফাইলে ডাউনলোড হয়ে যাবে।

১৬ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন কিভাবে চেক করা যায়?

বর্তমানে যে সকল জন্ম নিবন্ধন রয়েছে, এগুলো মূলত ১৭-ডিজিটের হয়ে থাকে। কিন্তু যারা অনেক পূর্বে জন্ম নিবন্ধন করেছেন, যেগুলো মূলত হাতে লেখা জন্ম নিবন্ধন, সেগুলো ১৬-ডিজিটের হয়ে থাকে।

মূলত এই ১৬-ডিজিট নাম্বার বিশিষ্ট জন্ম নিবন্ধন সনদগুলো কিভাবে অনলাইনে চেক করা যাবে— সেটিই হচ্ছে অনেকের প্রশ্ন।

১৬-ডিজিটের যেই জন্ম নিবন্ধনগুলো রয়েছে, সেগুলো মূলত অনলাইনের ডাটাবেজে সংরক্ষিত নেই। এগুলো হাতে লেখা বিভিন্ন নথিপত্রে সংরক্ষিত আছে স্থানীয় সরকার বিভাগে।

তবে আপনি ১৬-ডিজিট বিশিষ্ট জন্ম নিবন্ধনগুলো অনলাইনে চেক করতে পারবেন না। এজন্য আপনাকে অবশ্যই ওই পুরাতন জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেটটি নিয়ে আপনার স্থানীয় জন্ম নিবন্ধন অফিসে ভিজিট করতে হবে এবং পুনরায় একটি নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে হবে, যেটাকে মূলত জন্ম নিবন্ধন অনলাইন বলা হয়।

এক্ষেত্রে আপনাকে কিছু টাকা ফি প্রদান করতে হবে। আবেদন করা হয়ে গেলে কয়েক দিনের মধ্যেই আপনি জন্ম নিবন্ধন সনদটি পাবেন এবং সেখানে দেখবেন যে আপনার ১৭-ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট হয়ে গেছে।

১৭-ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নাম্বার হয়ে গেলে, আপনি অনলাইন থেকে যেকোনো সময়ে এটি চেক করতে কিংবা ডাউনলোড করতে পারবেন।

জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি দিয়ে কী কী কাজ করা যায়?

জন্ম নিবন্ধনের অনলাইন কপি অনেকেই ডাউনলোড করে বিভিন্ন কাজ করে থাকেন। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, এই জন্ম নিবন্ধনের অনলাইন কপিটি দিয়ে কি কি কাজ করা যাবে?

জন্ম নিবন্ধনের অনলাইন কপিটি দিয়ে জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত যেসকল কাজ রয়েছে, সবগুলো কাজ আপনি করতে পারবেন। তবে এর মধ্যে কিছু সীমাবদ্ধতা আছে।

যেমন, কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সময় অরিজিনাল সিল বিশিষ্ট জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে আপনি এই কপিটি দিয়ে সেই কাজ করতে পারবেন না।

এছাড়া বিভিন্ন ধরনের ডকুমেন্ট তৈরি করতে, যেমন এনআইডি কার্ড রেজিস্ট্রেশন, পাসপোর্ট অ্যাপ্লিকেশন কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোতে অনলাইন কপি ব্যবহার করা যাবে না।

এক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধনের অরিজিনাল সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে।

শুধুমাত্র নাম ও জন্ম তারিখ দিয়ে কি জন্ম নিবন্ধন চেক করা যায়?

না, শুধুমাত্র জন্ম তারিখ এবং নাম দিয়ে জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে চেক করা যায় না। অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন চেক করার ক্ষেত্রে নামের প্রয়োজন নেই।

জন্ম তারিখ প্রয়োজন হবে এবং এর সাথে অবশ্যই ১৭-ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নাম্বারটি প্রয়োজন হবে।

জন্ম নিবন্ধন হারিয়ে গেলে করণীয় কী?

আপনার যদি জন্ম নিবন্ধন সনদ হারিয়ে যায়, সেক্ষেত্রে যদি আপনার পুরাতন কোনো জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি থাকে, তার তথ্য দিয়ে উপরে দেখানো পদ্ধতিতে জন্ম নিবন্ধন অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

তবে অরিজিনাল জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেটটি পেতে হলে অবশ্যই আপনার স্থানীয় জন্ম নিবন্ধন অফিসে গিয়ে সেখানে জন্ম নিবন্ধনের একটি ডুপ্লিকেট কপির জন্য আবেদন করতে হবে।

এক্ষেত্রে তারা কিছু সময়ের মধ্যে আপনাকে একটি নতুন জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট প্রদান করতে পারবেন।

বিদেশ থেকে জন্ম সনদ চেক কিংবা ডাউনলোড করার উপায়

আপনি যদি বাংলাদেশের বাইরে, অর্থাৎ বিদেশে অবস্থান করেন এবং সেখানে আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদের প্রয়োজন পড়ে, সেক্ষেত্রে উপরে দেখানো একই পদ্ধতিতে আপনি জন্ম নিবন্ধনের তথ্য ব্যবহার করে জন্ম সনদ অনলাইনে চেক অথবা ডাউনলোড করতে পারবেন সহজেই।

তবে সেখানে যদি আপনার অরিজিনাল জন্ম সনদের প্রয়োজন পড়ে, তাহলে আপনি সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাসে গিয়ে ডুপ্লিকেট জন্ম নিবন্ধন সনদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত তথ্যগুলো প্রয়োজন হবে।

জন্ম সনদে ভুল থাকলে করণীয়

আপনার জন্ম সনদ অনলাইনে চেক করার পর যদি সেখানে কোনো ভুল থেকে থাকে, যেমন আপনার নামে ভুল, জন্ম তারিখে ভুল, কিংবা আপনার পিতামাতার নামে বা অন্য কোনো তথ্য ভুল হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই এটি সংশোধন করা যাবে।

আপনি চাইলে জন্ম নিবন্ধন অফিসে গিয়ে কিংবা অনলাইনেও সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। জন্ম নিবন্ধনের যেকোনো তথ্য সংশোধন করার নিয়ম জানতে ভিজিট করুন অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার নিয়ম পেইজে।

সঠিক তথ্য দেওয়ার পরেও জন্ম নিবন্ধন শো না করার কারণ

জন্ম সনদ চেক করার ওয়েবসাইটে গিয়ে যদি সঠিক তথ্য দেওয়ার পরেও জন্ম নিবন্ধন শো না করে কিংবা ওয়েবসাইট এরর দেখায়, তাহলে বুঝতে হবে যে ওয়েবসাইটের সার্ভারে এই মুহূর্তে সমস্যা রয়েছে।

এক্ষেত্রে কিছুক্ষণ পর আবার চেষ্টা করুন। অন্যদিকে, যদি “Not Found” দেখায়, সে ক্ষেত্রে বুঝতে হবে আপনার জন্ম সনদটি অনলাইনে নেই।

আপনি যদি নতুন জন্ম সনদ রেজিস্টার করে থাকেন, তাহলে এটি অনলাইনে যুক্ত হওয়ার জন্য আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার পর অনলাইন হতে কত সময় লাগে?

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার পর একটি অনলাইনের ডাটাবেজে যুক্ত হতে ২৪ ঘণ্টা থেকে ৭২ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন হতে পারে।

অনেক সময় জন্ম নিবন্ধন অফিসের কাজের চাপে এটি ক্ষেত্রবিশেষে এর চেয়েও বেশি সময় লাগতে পারে।

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন চেক করা প্রয়োজন কেন?

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন চেক করার অনেক প্রয়োজন থাকতে পারে। এটি ক্ষেত্রবিশেষে বিভিন্ন কারণে হতে পারে।

যেমন- কেউ কেউ নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার পর সেটি অনলাইনে চেক করতে চান, যে তাদের জন্ম নিবন্ধনের তথ্যগুলো অনলাইনে যুক্ত হয়েছে কিনা।

আবার কেউ কেউ তাদের তথ্যগুলো ঠিক আছে কিনা সেটি যাচাই করতেও অনলাইনে চেক করেন।

এছাড়াও, কারো কারো ১৬-ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার জন্য আবেদন করার পর তারা ভেরিফিকেশন করেন যে তাদের জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেটটি অনলাইনে যুক্ত হয়েছে কিনা। আবার কেউ কেউ ব্যক্তিগত প্রয়োজনে অনলাইনে জন্ম সনদ ডাউনলোডও করে থাকেন।

জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল কিনা সেটা বোঝার উপায়

এমন অনেকেই আছেন যাদের জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল কিনা, সেটি নিয়ে দ্বিধায় থাকেন। আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ ডিজিটাল কিনা, তা বোঝার একমাত্র উপায় হচ্ছে- এটি অনলাইনে চেক করা যায় কিনা।

যদি আপনি জন্ম নিবন্ধন সনদের নাম্বারটি দিয়ে উপরে দেওয়া পদ্ধতি অনুযায়ী এটি চেক করতে পারেন এবং আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদটি খুঁজে পান, তাহলে বুঝবেন যে আপনার জন্ম নিবন্ধনটি একটি ডিজিটাল জন্ম সনদ।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই সংক্রান্ত ঘনঘন জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

এই পর্যায়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাই সংক্রান্ত বেশকিছু প্রশ্নের উত্তর প্রদান করা হয়েছে।

জন্ম সনদের PDF ডাউনলোড করার পর সেটি প্রিন্ট করলে কি অফিসিয়াল সনদের মতো হবে?

না, PDF প্রিন্ট করলে সেটি অফিসিয়াল সনদের মতো দেখতে হলেও সেটিতে কোনো অফিসিয়াল সিল বা স্বাক্ষর থাকবে না, তাই সব ক্ষেত্রে এটি গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে।

জন্ম নিবন্ধনের ১৭ ডিজিট নাম্বার কোথায় লেখা থাকে?

এটি জন্ম সনদের উপরের অংশে বা তথ্য বক্সের পাশে লেখা থাকে এবং প্রতিটি সনদের জন্য ইউনিক হয়।

জন্ম সনদ অনলাইনে চেক করতে কি আলাদা অ্যাপ আছে?

বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের কোনো অফিসিয়াল মোবাইল অ্যাপ নেই, তবে ওয়েবসাইট মোবাইল ফ্রেন্ডলি হওয়ায় ফোন থেকেই সহজে চেক করা যায়।

অনলাইন জন্ম সনদে QR কোড থাকে কি?

ডিজিটাল জন্ম সনদে সাধারণত QR কোড থাকে, যা স্ক্যান করে সনদের সত্যতা যাচাই করা যায়।

পুরানো হাতে লেখা জন্ম সনদকে ডিজিটাল করার সুবিধা কী?

ডিজিটাল করলে অনলাইনে যেকোনো সময় যাচাই, ডাউনলোড ও কপি পাওয়া যায়, যা হাতে লেখা সনদে সম্ভব নয়।

জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে চেক করার জন্য কি কোনো ফি লাগে?

না, অনলাইনে চেক বা ভেরিফাই করা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

অনলাইন জন্ম সনদের PDF কি ই-মেইলে পাঠানো যায়?

হ্যাঁ, ডাউনলোড করা PDF ফাইল ই-মেইল বা অন্যান্য অনলাইন মাধ্যমে পাঠানো সম্ভব।

জন্ম সনদ অনলাইনে দেখা গেলেও কেন অনেক সময় অরিজিনাল সংগ্রহ করতে হয়?

কারণ কিছু সরকারি ও আইনি কাজে অফিসিয়াল সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত মূল সনদ প্রয়োজন হয়।

জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে চেক করার ওয়েবসাইট কি ২৪ ঘণ্টা চালু থাকে?

হ্যাঁ, তবে মাঝে মাঝে সার্ভার মেইনটেন্যান্স বা প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকতে পারে।

Asif Mahmud

আমি আসিফ মাহমুদ, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা থেকে হিসাববিজ্ঞানে বিবিএ (অনার্স) পড়াশোনা করেছি। আমি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন নাগরিক সেবা বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও সহজবোধ্য ব্লগ লিখি। আমার লক্ষ্য জটিল আর্থিক ও সরকারি সেবা প্রক্রিয়া সহজভাবে তুলে ধরে পাঠকদের সময় ও ঝামেলা কমানো।

Similar Posts

2 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *