শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ডিপিএস চার্ট ২০২৬
আমি আসিফ মাহমুদ, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা থেকে হিসাববিজ্ঞানে বিবিএ (অনার্স) পড়াশোনা করেছি। আমি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন নাগরিক সেবা বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও সহজবোধ্য ব্লগ লিখি। আমার লক্ষ্য জটিল আর্থিক ও সরকারি সেবা প্রক্রিয়া সহজভাবে তুলে ধরে পাঠকদের সময় ও ঝামেলা কমানো।
আমি আসিফ মাহমুদ, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা থেকে হিসাববিজ্ঞানে বিবিএ (অনার্স) পড়াশোনা করেছি। আমি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন নাগরিক সেবা বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও সহজবোধ্য ব্লগ লিখি। আমার লক্ষ্য জটিল আর্থিক ও সরকারি সেবা প্রক্রিয়া সহজভাবে তুলে ধরে পাঠকদের সময় ও ঝামেলা কমানো।
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ডিপিএস চার্ট সম্পর্কে জানতে আগ্রহী অনেকেই, কারণ সঠিক সঞ্চয় পরিকল্পনা বেছে নিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ডিপিএস বা ডিপোজিট পেনশন স্কিমের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে নিয়মিত টাকা জমা রেখে ভবিষ্যতে একটি বড় অঙ্কের সঞ্চয় গড়ে তোলা সম্ভব।
বিশেষ করে যারা নিরাপদ ও শরিয়াহসম্মত বিনিয়োগ খুঁজছেন, তাদের জন্য শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ডিপিএস একটি জনপ্রিয় অপশন। এই পোস্টে আলোচনা করবো শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ডিপিএস চার্ট, মুনাফার হার, কিস্তি পরিকল্পনা এবং সুবিধাসমূহ নিয়ে যাতে আপনি সহজেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ডিপিএস (DPS) কি?
ডিপিএস বা ‘ডিপোজিট পেনশন স্কিম’ হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা রাখার প্রক্রিয়া। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে এটি মূলত ‘মুদারাবা মান্থলি ডিপোজিট স্কিম’ (MMDS) নামে পরিচিত।
এখানে ব্যাংক আপনার জমানো টাকা শরীয়াহ ভিত্তিক লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করে এবং অর্জিত মুনাফার একটি বড় অংশ গ্রাহকদের প্রদান করে।
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন সঞ্চয় প্রকল্প
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক কেবল সাধারণ ডিপিএস নয়, বরং বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের জন্য বিশেষ কিছু স্কিম পরিচালনা করে:
১. মুদারাবা এডুকেশন ডিপোজিট স্কিম

সন্তানদের উচ্চশিক্ষার ব্যয় নির্বাহের জন্য এটি একটি চমৎকার স্কিম। এর মুনাফার হার সাধারণ ডিপিএসের তুলনায় কিছুটা বেশি (প্রায় ৯.৩০% – ৯.৮০%)। ৫ থেকে ১০ বছর মেয়াদে এটি খোলা যায়।
২. মুদারাবা হজ ডিপোজিট স্কিম

যারা ভবিষ্যতে পবিত্র হজ পালনের ইচ্ছা রাখেন, তাদের জন্য এই বিশেষ সঞ্চয় সুবিধা। ১ বছর থেকে ১০ বছর মেয়াদে কিস্তি সুবিধা রয়েছে।
৩. মুদারাবা মিলিয়নিয়ার স্কিম

একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে গ্রাহককে ১০ লক্ষ বা তার বেশি টাকা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে এই স্কিমটি সাজানো হয়েছে। কিস্তির পরিমাণ মেয়াদের ওপর নির্ভর করে।
৪. মুদারাবা ফ্লেক্সিবল/সহজ ডিপোজিট স্কিম

অনেকের মাসিক নির্দিষ্ট কিস্তি দিতে সমস্যা হয়। তাদের জন্য এই স্কিমটি সেরা। এখানে যেকোনো মাসে যেকোনো পরিমাণ টাকা জমা দেওয়া যায় এবং নির্দিষ্ট সময় পর মুনাফা পাওয়া যায়।
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ডিপিএস চার্ট ২০২৬ (প্রস্তাবিত মুনাফা)
ব্যাংক সাধারণত প্রতি বছর বা নির্দিষ্ট সময় পরপর তাদের মুনাফার হার পরিবর্তন করে।
নিচে ২০২৬ সালের বর্তমান ও সম্ভাব্য মুনাফার হারের একটি তালিকা দেওয়া হলো:
| মেয়াদ (বছর) | বার্ষিক মুনাফার হার |
| ০৩ বছর | ৯.০০% |
| ০৫ বছর | ৯.২৫% |
| ০৮ বছর | ৯.৫০% |
| ১০ বছর | ৯.৭৫% |
নোট: ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মুনাফার হার স্থির (Fixed) থাকে না। উপরের হারগুলো ‘প্রভিশনাল’ বা সাময়িক। বছর শেষে ব্যাংকের প্রকৃত আয়ের ওপর ভিত্তি করে এই হার সামান্য কম বা বেশি হতে পারে।
কিস্তির পরিমাণ ও ম্যাচিউরিটি ভ্যালু (সম্ভাব্য)
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো অঙ্কের (৫০০ এর গুণিতক) মাসিক কিস্তিতে ডিপিএস খোলা যায়। নিচে ৫০০ এবং ১,০০০ টাকার কিস্তিতে বিভিন্ন মেয়াদে কত টাকা পাওয়া যেতে পারে তার একটি ধারণা দেওয়া হলো:
১,০০০ টাকা মাসিক কিস্তির চার্ট:
-
০৩ বছর মেয়াদে: মূল জমা ৩৬,০০০ টাকা; মুনাফাসহ সম্ভাব্য প্রাপ্তি প্রায় ৪১,৫০০+ টাকা।
-
০৫ বছর মেয়াদে: মূল জমা ৬০,০০০ টাকা; মুনাফাসহ সম্ভাব্য প্রাপ্তি প্রায় ৭৭,৫০০+ টাকা।
-
১০ বছর মেয়াদে: মূল জমা ১,২০,০০০ টাকা; মুনাফাসহ সম্ভাব্য প্রাপ্তি প্রায় ২,০০,০০০+ টাকা।
(উল্লেখ্য: সরকারি ট্যাক্স ও আবগারি শুল্ক কর্তন করার পর নিট টাকা প্রদান করা হয়।)
ডিপিএস অ্যাকাউন্ট খোলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে ডিপিএস বা সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে আপনার নিচের ডকুমেন্টগুলো প্রয়োজন হবে:
-
আবেদনকারীর ছবি: ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
-
পরিচয়পত্র: জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), পাসপোর্ট অথবা জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি।
-
নমিনীয় তথ্য: নমিনির ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং এনআইডি কার্ডের ফটোকপি।
-
ই-টিন (e-TIN): যদি থাকে, তবে ট্যাক্স কাটার হার কম হবে (১০% বনাম ১৫%)।
-
ঠিকানার প্রমাণ: বর্তমান ঠিকানার বিদ্যুৎ বিল বা গ্যাস বিলের কপি (প্রয়োজন হতে পারে)।
কেন শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে ডিপিএস করবেন?
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (SJIBL) বাংলাদেশে শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকিং সেবায় একটি বিশ্বস্ত নাম। তাদের ডিপিএস বা ‘মুদারাবা মান্থলি ডিপোজিট স্কিম’ (MMDS) মূলত যারা হালাল উপায়ে সঞ্চয় করতে চান, তাদের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
নিচে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ডিপিএস-এর প্রধান সুবিধাসমূহ আলোচনা করা হলো:
১. সম্পূর্ণ শরীয়াহ ভিত্তিক মুনাফা
এই ডিপিএস প্রকল্পের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি সম্পূর্ণ সুদমুক্ত। ব্যাংক গ্রাহকের জমানো টাকা ইসলামি শরীয়াহ অনুমোদিত লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করে এবং সেখান থেকে অর্জিত মুনাফার একটি বড় অংশ (সাধারণত ৬৫%-৭০%) গ্রাহকদের মধ্যে বণ্টন করে। এখানে কোনো ‘ফিক্সড ইন্টারেস্ট’ বা সুদের কারবার নেই।
২. নমনীয় কিস্তি ও মেয়াদের সুবিধা
গ্রাহক তার সামর্থ্য অনুযায়ী মাসিক কিস্তির পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারেন।
-
কিস্তির পরিমাণ: সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১,০০০, ২,০০০, ৫,০০০ বা তার বেশি (৫০০-এর গুণিতক) যেকোনো অংকের কিস্তি বেছে নেওয়া যায়।
-
সময়কাল: সাধারণত ৩ বছর, ৫ বছর, ৮ বছর এবং ১০ বছর মেয়াদে এই সঞ্চয় প্রকল্প পরিচালনা করা যায়।
৩. বিনিয়োগ বা লোন সুবিধা (SOD Loan)
জরুরি প্রয়োজনে ডিপিএস না ভেঙেই আপনি আপনার জমানো টাকার ওপর ভিত্তি করে আর্থিক সুবিধা নিতে পারেন। সাধারণত জমানো টাকার ৮০% থেকে ৯০% পর্যন্ত লোন বা বিনিয়োগ সুবিধা প্রদান করা হয়। এর ফলে আপনার সঞ্চয়টিও সচল থাকে এবং জরুরি অর্থের প্রয়োজনও মিটে যায়।
৪. অটো-ডেবিট সুবিধা
আপনার যদি শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে একটি সেভিংস বা কারেন্ট অ্যাকাউন্ট থাকে, তবে আপনি ‘অটো-ডেবিট’ সুবিধা চালু করতে পারেন। এতে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট তারিখে আপনার মূল অ্যাকাউন্ট থেকে ডিপিএস-এর কিস্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেওয়া হবে, ফলে কিস্তি মিস হওয়ার ভয় থাকে না।
৫. আকর্ষণীয় মুনাফার হার
অন্যান্য অনেক ব্যাংকের তুলনায় শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক তাদের ডিপিএস গ্রাহকদের প্রতিযোগিতামূলক মুনাফা প্রদান করে। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদী (৫ বা ১০ বছর) স্কিমগুলোতে মুনাফার হার তুলনামূলক বেশি থাকে।
৬. অনলাইন ব্যাংকিং ও ডিজিটাল সেবা
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের বিস্তৃত শাখা ও উপ-শাখা নেটওয়ার্কের কারণে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে কিস্তি জমা দেওয়া যায়। এছাড়া তাদের মোবাইল অ্যাপ বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে ঘরে বসেই ডিপিএস-এর স্থিতি দেখা বা কিস্তি পরিশোধের সুবিধা পাওয়া যায়।
৭. নমিনি সুবিধা
হিসাব খোলার সময় গ্রাহক এক বা একাধিক নমিনি যুক্ত করতে পারেন। হিসাবধারীর অবর্তমানে জমানো টাকা ও মুনাফা নমিনিকে হস্তান্তরের সহজ ও আইনি প্রক্রিয়া এখানে নিশ্চিত করা হয়।
অন্যান্য সুবিধা
-
নিরাপত্তা: ব্যাংকটি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে পরিচালিত হওয়ায় আপনার আমানত এখানে সম্পূর্ণ নিরাপদ।
-
বিবিধ স্কিম: সাধারণ ডিপিএস ছাড়াও হজ ডিপিএস, এডুকেশন ডিপিএস এবং মিলিয়নিয়ার স্কিমের মতো বিশেষায়িত সুবিধা বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
-
সহজ শর্ত: খুব সাধারণ কিছু নথিপত্র (এনআইডি, ছবি) দিয়ে যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক এই হিসাব খুলতে পারেন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে ডিপিএস কিস্তির টাকা জমা দিতে দেরি হলে কি অতিরিক্ত ফি দিতে হয়?
যেহেতু এটি একটি শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংক, তাই তারা প্রচলিত ব্যাংকের মতো ‘সুদ’ বা ‘জরিমানা’ নেয় না। তবে কিস্তি দিতে বিলম্ব করলে ব্যাংক একটি নির্দিষ্ট ‘ক্ষতিপূরণ চার্জ’ (Compensatory Charge) ধার্য করতে পারে। শরীয়াহ নীতিমালা অনুযায়ী, এই চার্জের টাকা ব্যাংক নিজের আয় হিসেবে রাখে না, বরং তা বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে (Charity) ব্যয় করা হয়।
ডিপিএস মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই কি টাকা উত্তোলন করা সম্ভব?
হ্যাঁ, জরুরি প্রয়োজনে আপনি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ডিপিএস বন্ধ করে টাকা তুলতে পারবেন। একে ‘প্রিম্যাচিউর এনক্যাশমেন্ট’ বলা হয়। তবে এক্ষেত্রে আপনি কত সময় টাকা জমা রেখেছেন, তার ওপর ভিত্তি করে মুনাফার হার নির্ধারিত হবে। সাধারণত ১ বছরের আগে বন্ধ করলে কোনো মুনাফা পাওয়া যায় না, শুধুমাত্র মূল টাকা ফেরত দেওয়া হয়।
নমিনি কি টাকা পাবে?
হিসাবধারীর অবর্তমানে মনোনীত নমিনি জমানো টাকা এবং মুনাফা উত্তোলনের আইনি অধিকারী হবেন।
আমার কি সঞ্চয়ী হিসাব (Savings Account) না থাকলে ডিপিএস খোলা সম্ভব?
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে ডিপিএস কিস্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে জমা হওয়ার সুবিধার্থে সাধারণত একটি সঞ্চয়ী (Mudaraba Savings) বা চলতি হিসাব থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি ডিপিএস হিসাব খোলার সুযোগও থাকে। সঞ্চয়ী হিসাব থাকলে কিস্তি মিস হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।
ডিপিএস-এর জমানো টাকার ওপর কি লোন বা বিনিয়োগ সুবিধা পাওয়া যায়?
অবশ্যই। আপনার ডিপিএস-এ জমানো টাকার ৯০% পর্যন্ত আপনি বিনিয়োগ বা লোন (SOD – Secured Over Draft) হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। এটি জরুরি আর্থিক প্রয়োজনে ডিপিএস না ভেঙে টাকা পাওয়ার একটি চমৎকার উপায়।
ম্যাচিউরিটির পর অর্জিত মুনাফার ওপর কি কোনো ট্যাক্স কাটা হয়?
হ্যাঁ, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী অর্জিত মুনাফার ওপর উৎস কর (Source Tax) প্রযোজ্য। আপনার যদি বৈধ e-TIN সার্টিফিকেট থাকে তবে মুনাফার ওপর ১০% ট্যাক্স কাটা হবে, আর e-TIN না থাকলে ১৫% ট্যাক্স কাটা হবে। এছাড়া আবগারি শুল্ক (Excise Duty) সরকারি নিয়ম মোতাবেক বার্ষিক স্থিতি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
উপসংহার
সবশেষে বলা যায়, Shahjalal Islami Bank PLC-এর ডিপিএস স্কিম একটি নিরাপদ, শরীয়াহসম্মত এবং দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের জন্য কার্যকর সমাধান। সঠিক পরিকল্পনা ও নিয়মিত কিস্তি জমার মাধ্যমে আপনি সহজেই একটি বড় অঙ্কের তহবিল গড়ে তুলতে পারেন।
তবে মুনাফার হার পরিবর্তনশীল হওয়ায় বিনিয়োগের আগে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। নিজের আয়, লক্ষ্য ও সময়সীমা অনুযায়ী উপযুক্ত স্কিম নির্বাচন করলে এই ডিপিএস আপনার ভবিষ্যৎ আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আমি আসিফ মাহমুদ, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা থেকে হিসাববিজ্ঞানে বিবিএ (অনার্স) পড়াশোনা করেছি। আমি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন নাগরিক সেবা বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও সহজবোধ্য ব্লগ লিখি। আমার লক্ষ্য জটিল আর্থিক ও সরকারি সেবা প্রক্রিয়া সহজভাবে তুলে ধরে পাঠকদের সময় ও ঝামেলা কমানো।
