বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম ২০২৬

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট কিভাবে খুলতে হয়? বর্তমান ডিজিটাল যুগে ব্যবসার সুবিধার্থে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে, আর সেই ক্ষেত্রে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম(Bkash Merchant Account Registration) জানা ব্যবসায়ীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রাহকদের কাছ থেকে সহজে ও দ্রুত পেমেন্ট গ্রহণের জন্য বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট একটি কার্যকর সমাধান, যা ক্যাশ লেনদেনের ঝামেলা কমিয়ে ব্যবসাকে আরও গতিশীল করে তোলে।

বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি ব্যবসার জন্য এটি একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম। তাই সঠিকভাবে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম জানা থাকলে আপনি সহজেই আপনার ব্যবসাকে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসতে পারবেন।

বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট কী?

বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট হলো ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি বিশেষ একটি অ্যাকাউন্ট, যার মাধ্যমে তারা কাস্টমারের কাছ থেকে সরাসরি পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারেন।

এটি সাধারণ পার্সোনাল অ্যাকাউন্টের চেয়ে আলাদা, কারণ এখানে পেমেন্ট গ্রহণের সীমা অনেক বেশি থাকে এবং ব্যবসার প্রসারে বিভিন্ন টুলস ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যায়।

বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট

মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে আপনার ব্যবসার ধরন অনুযায়ী কিছু কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়। সাধারণত নিচের ডকুমেন্টগুলো সংগ্রহে রাখুন:

  • মালিকের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID): মূল কপি এবং স্ক্যান কপি।

  • ট্রেড লাইসেন্স: আপ-টু-ডেট বা হালনাগাদ করা ট্রেড লাইসেন্স।

  • টিিন (TIN) সার্টিফিকেট: কর শনাক্তকরণ নম্বর।

  • ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: ব্যবসার নামে থাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের চেকের পাতা বা স্টেটমেন্ট।

  • ছবি: মালিকের পাসপোর্ট সাইজের ল্যাব প্রিন্ট ছবি।

  • ব্যবসার স্থান: দোকানের সাইনবোর্ডসহ একটি ছবি (মাঝে মাঝে প্রয়োজন হয়)।

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন নিয়ম ২০২৬

আপনি মূলত দুইভাবে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের জন্য আবেদন করতে পারেন: অনলাইন পোর্টালে অথবা সরাসরি বিকাশ সেন্টারে গিয়ে।

১. অনলাইন আবেদন (বিকাশ ওয়েবসাইট)

বর্তমানে ঘরে বসেই বিকাশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মার্চেন্ট হওয়ার আবেদন করা যায়:

  1. বিকাশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে Merchant সেকশনে যান।

  2. সেখানে থাকা আবেদন ফর্মটি নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।

  3. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলো (NID, ট্রেড লাইসেন্স ইত্যাদি) আপলোড করুন।

  4. আবেদন জমা দেওয়ার পর বিকাশের প্রতিনিধি আপনার সাথে যোগাযোগ করবেন এবং ভেরিফিকেশন শেষে অ্যাকাউন্ট সচল করে দেবেন।

২. বিকাশ কাস্টমার কেয়ার বা এজেন্টের মাধ্যমে

আপনার এলাকায় যদি বিকাশের ডিস্ট্রিবিউশন অফিস থাকে, তবে সেখানে সরাসরি গিয়েও আবেদন করতে পারেন। আপনার সব ডকুমেন্টের হার্ডকপি নিয়ে গেলে তারা দ্রুত প্রসেসিং করে দেবে।

৩. বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাপ (Micro-Merchant)

আপনার যদি ছোট দোকান থাকে (যেমন: মুদি দোকান বা ছোট স্টল) এবং ট্রেড লাইসেন্স না থাকে, তবে আপনি বিকাশ রিটেইল অ্যাকাউন্ট বা মাইক্রো-মার্চেন্ট হিসেবে আবেদন করতে পারেন। এক্ষেত্রে শুধু NID কার্ড এবং ব্যক্তিগত তথ্যের মাধ্যমেই অ্যাপ দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা সম্ভব।

বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের সুবিধাসমূহ

বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের সুবিধাসমূহ

ব্যবসার ক্ষেত্রে বিকাশ মার্চেন্ট কেন ব্যবহার করবেন?

এর মূল কারণগুলো হলো:

  • দ্রুত পেমেন্ট: কাস্টমার কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে মুহূর্তেই টাকা পাঠাতে পারেন।

  • লিমিটহীন লেনদেন: পার্সোনাল অ্যাকাউন্টের মতো এখানে লেনদেনের কঠোর সীমাবদ্ধতা নেই।

  • অটোমেটেড হিসাব: মার্চেন্ট অ্যাপের মাধ্যমে প্রতিদিনের বেচাকেনার হিসাব রাখা সহজ।

  • বিজনেস লোন: লেনদেনের রেকর্ডের ওপর ভিত্তি করে ব্যবসায়ীরা সহজ শর্তে ব্যাংক লোন পেতে পারেন।

  • নিরাপত্তা: ক্যাশ টাকা বহনের ঝুঁকি কমায় এবং জালিয়াতির সুযোগ থাকে না।

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ক্যাশ আউট চার্জ

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট থেকে ক্যাশ আউট করার ক্ষেত্রে চার্জের পরিমাণ নির্ভর করে আপনি কোন পদ্ধতিতে টাকা তুলছেন তার ওপর।

নিচে বিকাশ মার্চেন্ট ক্যাশ আউট চার্জ তালিকা দেওয়া হলো:

ক্যাশ আউট পদ্ধতি চার্জের হার (শতকরা) প্রতি ১,০০০ টাকায় চার্জ
অ্যাপের মাধ্যমে (এজেন্ট পয়েন্ট) ১.৭৫% ১৭.৫০ টাকা
USSD কোড (*247#) দিয়ে ১.৮৫% ১৮.৫০ টাকা
ব্যাংক একাউন্টে ট্রান্সফার ফ্রি (০%) ০.০০ টাকা

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট

বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের লেনদেনের সীমা বা লিমিট সাধারণত পার্সোনাল অ্যাকাউন্টের তুলনায় অনেক বেশি হয়ে থাকে, যাতে ব্যবসায়ীরা স্বাচ্ছন্দ্যে পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারেন। তবে এই লিমিট মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের ধরণ (যেমন: রিটেইল মার্চেন্ট বনাম স্ট্যান্ডার্ড মার্চেন্ট) অনুযায়ী কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।

নিচে বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের সাধারণ লিমিটের একটি তালিকা দেওয়া হলো:

লেনদেনের ধরণ প্রতিদিনের লিমিট (বার) প্রতিদিনের লিমিট (টাকা) মাসিক লিমিট (টাকা)
পেমেন্ট গ্রহণ (Collection) আনলিমিটেড আনলিমিটেড আনলিমিটেড
ক্যাশ আউট (এজেন্ট থেকে) ১০ বার ২৫,০০০ টাকা ১,৫০,০০০ টাকা
ব্যাংক সেটেলমেন্ট কোনো সীমা নেই আনলিমিটেড আনলিমিটেড
মার্চেন্ট টু মার্চেন্ট ট্রান্সফার ৫ বার ৫০,০০০ টাকা ২,০০,০০০ টাকা

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ক্যাশ আউট লিমিট

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ক্যাশ আউট লিমিট

বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের ক্যাশ আউট লিমিট সাধারণত আপনার অ্যাকাউন্টের ধরণের (যেমন: সাধারণ মার্চেন্ট নাকি পার্সোনাল রিটেইল অ্যাকাউন্ট) ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।

নিচে বিকাশ মার্চেন্ট ক্যাশ আউট লিমিট বিস্তারিত দেওয়া হলো:

ক্যাশ আউটের ধরণ দৈনিক লিমিট (বার) দৈনিক লিমিট (টাকা) মাসিক লিমিট (বার) মাসিক লিমিট (টাকা)
এজেন্ট পয়েন্ট থেকে ১০ বার ২৫,০০০ টাকা ১০০ বার ১,৫০,০০০ টাকা
ব্যাংক সেটেলমেন্ট কোনো সীমা নেই আনলিমিটেড কোনো সীমা নেই আনলিমিটেড

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা অসুবিধা

বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট মূলত ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি একটি বিশেষ অ্যাকাউন্ট, যার মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পেমেন্ট গ্রহণ করা যায়। একজন উদ্যোক্তা বা অনলাইন শপ মালিকের জন্য এই অ্যাকাউন্টের অনেকগুলো সুবিধা রয়েছে।

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা

নিচে বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের প্রধান সুবিধাগুলো আলোচনা করা হলো:

১. আনলিমিটেড পেমেন্ট গ্রহণ

মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এতে টাকা গ্রহণের কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। পার্সোনাল অ্যাকাউন্টে মাসে লেনদেনের লিমিট থাকলেও, মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে আপনি গ্রাহকদের কাছ থেকে দৈনিক বা মাসিক যত খুশি তত টাকা পেমেন্ট হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন।

২. বিনা মূল্যে ব্যাংক সেটেলমেন্ট

মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স সরাসরি আপনার লিঙ্ক করা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা যায়। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘সেটেলমেন্ট’। ব্যাংক সেটেলমেন্টের ক্ষেত্রে সাধারণত কোনো চার্জ দিতে হয় না, যা বড় অংকের লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক খরচ সাশ্রয় করে।

৩. ব্যবসায়িক পরিচয় ও পেশাদারিত্ব

মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের ফলে গ্রাহকের কাছে আপনার ব্যবসার বিশ্বস্ততা বাড়ে। পেমেন্ট করার সময় গ্রাহক যখন আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম দেখতে পান, তখন তা আপনার ব্র্যান্ডের একটি পেশাদার ইমেজ তৈরি করে।

৪. পেমেন্ট লিংক (Payment Link) তৈরি

বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাপের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই পেমেন্ট লিংক তৈরি করে ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমেইলে গ্রাহককে পাঠাতে পারেন। গ্রাহক সেই লিংকে ক্লিক করে সরাসরি পেমেন্ট করতে পারেন, যার ফলে আপনার কোনো ওয়েবসাইট না থাকলেও ডিজিটাল পেমেন্ট নেওয়া সম্ভব হয়।

৫. অটোমেটিক হিসাব রাখা

মার্চেন্ট অ্যাপে প্রতিটি লেনদেনের বিস্তারিত স্টেটমেন্ট থাকে। দিন শেষে মোট কত টাকা বিক্রি হলো বা কোন গ্রাহক কত টাকা দিল, তার ডিজিটাল রেকর্ড থাকায় আপনাকে আলাদাভাবে ম্যানুয়াল হিসাব রাখার ঝামেলা পোহাতে হয় না।

৬. কাউন্টার ও কিউআর (QR) কোড সুবিধা

আপনার যদি ফিজিক্যাল শপ থাকে, তবে আপনি দোকানের জন্য আলাদা কিউআর কোড বা একাধিক কাউন্টার আইডি ব্যবহার করতে পারেন। এতে ক্যাশ কাউন্টারে ভিড় কম হয় এবং পেমেন্ট প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয়।

৭. বিটুবি (B2B) পেমেন্ট সুবিধা

আপনার মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য কোনো সাপ্লায়ার বা মার্চেন্টকে সরাসরি পেমেন্ট করার সুবিধা পাওয়া যায়। একে ‘মার্চেন্ট টু মার্চেন্ট’ ট্রান্সফার বলা হয়, যা ব্যবসায়িক লেনদেনকে আরও সহজ করে তোলে।

৮. ক্যাশব্যাক ও অফার

বিকাশ প্রায়ই মার্চেন্ট পেমেন্টের ওপর বিভিন্ন ক্যাশব্যাক অফার দিয়ে থাকে। এতে গ্রাহকরা উৎসাহিত হয় এবং আপনার বিক্রয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর অসুবিধা

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টের যেমন অনেক সুবিধা রয়েছে, তেমনি কিছু অসুবিধাও আছে যা একজন ব্যবসায়ী হিসেবে আপনার জেনে রাখা জরুরি।

নিচে এর প্রধান অসুবিধাগুলো তুলে ধরা হলো:

১. ক্যাশ আউট চার্জের খরচ

মার্চেন্ট একাউন্টের সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো ক্যাশ আউট চার্জ। পার্সোনাল একাউন্টের তুলনায় মার্চেন্ট একাউন্টে ক্যাশ আউট চার্জ কিছুটা বেশি। বিশেষ করে বড় অংকের টাকা যখন এজেন্ট পয়েন্ট থেকে ক্যাশ আউট করতে হয়, তখন ১.৭৫% থেকে ১.৮৫% চার্জ ব্যবসার লভ্যাংশ কমিয়ে দিতে পারে।

২. ক্যাশ আউট লিমিট বা সীমা

পেমেন্ট গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো লিমিট না থাকলেও, এজেন্ট পয়েন্ট থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দৈনিক ও মাসিক লিমিট রয়েছে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা এবং মাসে ১,৫০,০০০ টাকার বেশি এজেন্ট থেকে তোলা সম্ভব নয়। ফলে জরুরি প্রয়োজনে বেশি নগদ টাকার দরকার হলে ব্যাংক সেটেলমেন্টের ওপর নির্ভর করতে হয়।

৩. ব্যাংক সেটেলমেন্টে সময়ের প্রয়োজন

মার্চেন্ট একাউন্টের টাকা সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে পাঠানো (Settlement) ফ্রি হলেও এটি তাৎক্ষণিক হয় না। সাধারণত ব্যাংক সেটেলমেন্ট সম্পন্ন হতে ১ কার্যদিবস (Next Working Day) সময় লাগে। শুক্র-শনিবার বা সরকারি ছুটির দিনে এই টাকা ব্যাংকে জমা হয় না, যা অনেক সময় ছোট ব্যবসায়ীদের নগদ টাকার প্রবাহে (Cash Flow) সমস্যা তৈরি করতে পারে।

৪. ভুল পেমেন্ট রিফান্ড করার জটিলতা

কোনো গ্রাহক যদি ভুল করে বেশি টাকা পেমেন্ট করে ফেলেন, তবে সেই টাকা ফেরত দেওয়া বা রিফান্ড করার প্রক্রিয়াটি কিছুটা সময়সাপেক্ষ। অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহক এবং মার্চেন্ট উভয়কেই বিকাশের হেল্পলাইন বা কাস্টমার কেয়ারের সহায়তা নিতে হয়।

৫. সেন্ড মানি বা রিচার্জের সীমাবদ্ধতা

মার্চেন্ট একাউন্ট মূলত পেমেন্ট সংগ্রহের জন্য তৈরি। তাই এই একাউন্ট থেকে পার্সোনাল একাউন্টের মতো সব ধরনের সুবিধা (যেমন: অন্য কাউকে সেন্ড মানি করা বা সব সময় মোবাইল রিচার্জ করা) সহজলভ্য নাও হতে পারে। এটি মূলত একমুখী লেনদেনের (শুধুমাত্র কালেকশন) জন্য বেশি উপযোগী।

 

৬. টেকনিক্যাল সমস্যা ও অ্যাপ নির্ভরতা

পেমেন্ট লিংকের মাধ্যমে বা অ্যাপের মাধ্যমে পেমেন্ট নেওয়ার সময় অনেক সময় সার্ভার বা ইন্টারনেট জনিত সমস্যার কারণে লেনদেন বিলম্বিত হতে পারে। এছাড়া কিউআর কোড স্ক্যান করতে সমস্যা হলে গ্রাহক বিরক্ত হতে পারেন।

৭. ছোট ব্যবসার জন্য ডকুমেন্টেশনের ঝামেলা

একটি পূর্ণাঙ্গ মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে ট্রেড লাইসেন্স, টিন (TIN) সার্টিফিকেট এবং অন্যান্য ব্যবসায়িক কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়। অনেক ক্ষুদ্র বা অনলাইন উদ্যোক্তার কাছে এসব লিগ্যাল ডকুমেন্ট না থাকায় তারা স্ট্যান্ডার্ড মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে সমস্যায় পড়েন (যদিও বর্তমানে ‘পার্সোনাল রিটেইল একাউন্ট’ এই সমস্যা কিছুটা কমিয়ে এনেছে)।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *